ঢাকাSaturday , 1 August 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. খেলাধুলা
  3. জাতীয়
  4. তথ্য-প্রযুক্তি
  5. বানিজ্য
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. রাজনীতি
  9. লাইফস্টাইল
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চলমান অর্থবছর ২০২৬-২৭ এর জন্য ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

banglaprime24
August 1, 2026 9:16 pm
Link Copied!

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি উচ্চাভিলাষী অথচ বাস্তবসম্মত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে পণ্য খাত থেকে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার অর্জিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উভয় খাতেই ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই নতুন লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বিশ্ব অর্থনীতির চলমান অনিশ্চয়তা, বিভিন্ন অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বাংলাদেশের রপ্তানি খাত ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তিশালী সম্ভাবনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, রপ্তানি প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে সরকার ব্যবসা খাতের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, বিনিয়োগ সহজীকরণ এবং সরকারি সেবাপ্রদান প্রক্রিয়াকে অধিকতর গতিশীল করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিধি বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ (FTA) সম্পাদনের আলোচনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এছাড়া চলতি বছরের মধ্যেই আরও বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গেও খুব দ্রুত আনুষ্ঠানিকভাবে এফটিএ বিষয়ক আলোচনা শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক বা আরএমজি (RMG) খাত থেকে। এই একক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমিয়ে অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল করতে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ ভাঙা শিল্প, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের উন্নয়নে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। খুব শিগগিরই এসব উদীয়মান শিল্পখাতকে এগিয়ে নিতে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, বাংলাদেশের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক কাঠামোর ক্ষেত্রে বড় কোনো নেতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে বিদ্যমান ১০ শতাংশ শুল্ক বহাল রয়েছে, যার ফলে দেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে নতুন করে কোনো বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। এছাড়া শিল্প খাতের জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি জানান, গ্যাসের সীমিত সরবরাহের কারণে কারখানাগুলো এখনো তাদের পূর্ণ উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারছে না। তবে এলএনজি আমদানির জন্য অতিরিক্ত ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসফিকেশন ইউনিট বা এফএসআরইউ (FSRU) স্থাপনের মাধ্যমে এই পরিস্থিতি দ্রুত কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে। নির্বাচিত সরকারের নীতিগত স্থিতিশীলতা, ব্যবসাবান্ধব নানা সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ক্রমবর্ধমান আস্থার ফলে আগামী অর্থবছরের নির্ধারিত এই রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জন করা সম্ভব হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।