ঢাকাWednesday , 22 July 2026
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. জাতীয়
  8. তথ্য-প্রযুক্তি
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বানিজ্য
  11. বিনোদন
  12. বিশ্ব
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সবুজবাগে বিএনপি কর্মী ইব্রাহীম হত্যা: প্রতিশোধ নাকি মাদক সিন্ডিকেটের দ্বন্দ্ব?

banglaprime24
July 22, 2026 10:16 pm
Link Copied!

রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী ইব্রাহীম পলাশকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তিনজনকে সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করলেও ঘটনার পর থেকেই তারা পলাতক রয়েছে। প্রকাশ্য দিবালোকে কিংবা রাতের আঁধারে সংঘটিত এই বর্বরোচিত হামলায় নিহতের দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে মূলত ব্যক্তিগত ক্ষোভ-প্রতিশোধ এবং মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অন্তর্দ্বন্দ্ব—এই দুটি সম্ভাব্য কারণ সামনে রেখে নিবিড় তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে সবুজবাগের বাগপাড়া পানির পাম্পসংলগ্ন এলাকায় নৃশংস এই হামলা চালানো হয়। সিসিটিভি ক্যামেরার ধারণকৃত ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ দেখতে পায় যে, ঘটনার সময় একটি চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন ইব্রাহীম পলাশ। এ সময় হঠাৎ করেই ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র দল রামদা ও চাপাতি নিয়ে আকস্মিক হামলা চালায়। হামলাকারীদের মূল নেতৃত্বে ছিলেন স্থানীয় যুবদলের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা হোসেন রয়েল এবং তাঁর দুই সহযোগী মো. সবুজ ও শফিক। প্রাণভয়ে ইব্রাহীম পালানোর চেষ্টা করলেও ঘাতকরা ধাওয়া করে তাঁকে ধরে ফেলে এবং নৃশংসভাবে কুপিয়ে দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাদ্দের কয়েকদিন আগে একটি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোস্তফার সঙ্গে ইব্রাহীমের হাতাহাতি এবং মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। ওই সময় ইব্রাহীমের মাধ্যমে মোস্তফার বাবা-মা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন, যার জেরে প্রকাশ্যেই হাত কেটে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন মোস্তফা। পুলিশ ধারণা করছে, সেই পুরনো অপমান এবং প্রতিশোধের স্পৃহাই এই হত্যাকাণ্ডের মূল অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। পাশাপাশি, স্থানীয় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও অবৈধ অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে উভয় পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের বিষয়টিও উড়িয়ে দিচ্ছে না তদন্তকারীরা। নিহত ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে পূর্বে হত্যাচেষ্টার মামলা থাকার পাশাপাশি প্রধান অভিযুক্ত মোস্তফার বিরুদ্ধেও চুরি, চাঁদাবাজি ও হত্যাচেষ্টাসহ প্রায় সাতটি গুরুতর মামলা রয়েছে। ঘটনার পর নিহতের বড় বোন জোছনা বেগম বাদী হয়ে সবুজবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন এবং অবিলম্বে মূল আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচ্ছিন্ন হওয়া হাতের অংশগুলো উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। বর্তমানে পুলিশি অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।