ঢাকাSunday , 2 August 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. খেলাধুলা
  3. জাতীয়
  4. তথ্য-প্রযুক্তি
  5. বানিজ্য
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. রাজনীতি
  9. লাইফস্টাইল
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টানা দুই মাস তিন বিলিয়ন ডলারের নিচে প্রবাসী আয়, চিন্তায় ব্যাংকাররা

banglaprime24
August 2, 2026 11:11 pm
Link Copied!

দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহে কিছুটা ভাটা লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী জুলাই মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রায় ২৮৬ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা এর আগের মাস জুনের প্রায় সমান। এর মাধ্যমে টানা দুই মাস দেশের প্রবাসী আয় তিন বিলিয়ন বা ৩০০ কোটি ডলারের নিচে অবস্থান করছে। এর আগে চলতি বছরের শুরু থেকেই টানা ছয় মাস তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছরের জুলাই মাসে মোট ২৮৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। গত বছর জুলাই মাসে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। তবে বছরের শুরুর দিকের মাসগুলোর তুলনায় বর্তমান প্রবাহ কিছুটা কম। এর আগে গত মে মাসে রেকর্ড ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার, এপ্রিলে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার এবং মার্চ মাসে প্রায় ৩৭৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স অর্জিত হয়েছিল। এছাড়া ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩০২ কোটি এবং ৩১৭ কোটি ডলার এবং তার আগের বছর ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ডলার দেশে এসেছিল। এই হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে টানা ছয় মাস তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাওয়ার পর এই পতনের ধারা শুরু হলো। প্রবাসী আয় আহরণে বরাবরের মতো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, আর এর পরেই রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের অবদান।

রেমিট্যান্স প্রবাহ হ্রাসের সুনির্দিষ্ট কারণ হিসেবে ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের দাম কিছুটা বাড়ার কারণে ব্যাংকগুলোর ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি জোরদার করা হয়েছে। এর ফলে অবৈধ হুন্ডি বা অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলের তৎপরতা এবং বৈধ চ্যানেলের কিছু কার্যক্রমে প্রভাব পড়ায় সামগ্রিক প্রবাহে এই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যসহ বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে মুদ্রার বিনিময় হারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি সম্ভাব্য যেকোনো ধাক্কা সামাল দিতে প্রস্তুত কি না, তা নিয়ে নীতিনির্ধারক মহলে আলোচনা চলছে।

দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এড়াতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। সংকট কতদূর গড়াতে পারে তা এখনো অনিশ্চিত, তাই রিজার্ভের ওপর বাড়তি চাপ এড়াতে সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতি সুদহার কমানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা নিয়েও মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, আসন্ন অর্থনৈতিক চাপ পুরোপুরি কেটে না যাওয়া পর্যন্ত নীতি সুদহারে বড় ধরনের পরিবর্তন না এনে রিজার্ভ ধরে রাখার নীতি বজায় রাখাই শ্রেয় হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।