ঢাকাWednesday , 29 July 2026
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলা
  6. খেলাধুলা
  7. জাতীয়
  8. তথ্য-প্রযুক্তি
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. বানিজ্য
  11. বিনোদন
  12. বিশ্ব
  13. রাজনীতি
  14. লাইফস্টাইল
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণের সুযোগ বহাল রাখার দাবিতে ইসির দ্বারস্থ জামায়াত

banglaprime24
July 29, 2026 11:50 am
Link Copied!

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণের আইনি সুযোগ বহাল রাখার জোরালো দাবি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে যে, শিক্ষকদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার খর্ব করার যেকোনো উদ্যোগ নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী এবং তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার যে সুপারিশ করা হয়েছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াত। দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মতে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পেছনে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য থাকতে পারে, যা নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নিজ চাকরি থেকে অব্যাহতি নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। কিন্তু এই সুযোগ বাতিলের যে সুপারিশ ইসি তৈরি করেছে, তা শিক্ষকদের রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত বলে মনে করছে দলটি।

আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারদের সঙ্গে জামায়াতের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবে। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত থাকবেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জসিম উদ্দীন সরকার এবং আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির। নির্বাচন কমিশনের এই নীতিগত অবস্থানের বিরুদ্ধে নিজেদের দৃঢ় আপত্তি জানানোর পাশাপাশি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও কমিশনের কাছে সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ তুলে ধরবে জামায়াত। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেবল শিক্ষকদের বিষয়টিই নয়, বরং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব পদে সম্প্রতি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া মো. সামসুল আলমের নিয়োগ বাতিলের দাবিও জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হবে। জামায়াতের অভিযোগ, একজন বিতর্কিত ও চিহ্নিত দলীয় ব্যক্তিকে অবসরের পরপরই ইসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক পদে বসানো হয়েছে, যা কমিশনের নিরপেক্ষ কার্যকারিতাকে ক্ষুণ্ন করতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাচন কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না রাখার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। একই বৈঠকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও সেনাবহিনী মোতায়েনের আইনি বিধান যুক্ত করার মতো আরও বেশ কিছু সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে কমিশন। পরবর্তীতে এসব সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দায়িত্ব বর্তাবে সরকারের ওপর। সরকার যদি ইসির এই সুপারিশগুলো গ্রহণ করে, তবে বিদ্যমান নির্বাচনী আইনে সংশোধনী আনতে হবে। সে ক্ষেত্রে মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে জাতীয় সংসদে বিল পাস করার দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। তবে জামায়াতে ইসলামী শুরু থেকেই এই সংস্কার প্রস্তাবগুলোর আইনি ও রাজনৈতিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। দলটির নীতিনির্ধারকদের মতে, নাগরিকদের মৌলিক রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তারা আইনি লড়াইসহ রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে যেতে প্রস্তুত রয়েছে। ইসি সচিবালয়ের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এবং শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে জামায়াতের এই নতুন পদক্ষেপ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর এই দাবির মুখে তাদের অবস্থান কতটা পুনর্বিবেচনা করে এবং পুরো বিষয়টি শেষ পর্যন্ত কোন মোড় নেয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।