ঢাকাTuesday , 21 July 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. খেলাধুলা
  3. জাতীয়
  4. তথ্য-প্রযুক্তি
  5. বানিজ্য
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. রাজনীতি
  9. লাইফস্টাইল
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কানাডার পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের: বাণিজ্য যুদ্ধের উত্তাপ বাড়ছে উত্তর আমেরিকায়

banglaprime24
July 21, 2026 11:28 am
Link Copied!

উত্তর আমেরিকার দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কে এক নজিরবিহীন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর আকস্মিকভাবে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন, যা দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা ‘বাণিজ্যিক আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের মূল কারণ হিসেবে তিনি মার্কিন শিল্প সুরক্ষা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ইস্যুকে সামনে নিয়ে এসেছেন।

এই ঘোষণার পর কানাডার অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কানাডার অর্থমন্ত্রী ও অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ মার্ক কার্নি দ্রুত এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় মাঠে নেমেছেন। কার্নি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, কানাডা চুপ করে বসে থাকবে না এবং এই পরিস্থিতির উত্তরণে তিনি আলোচনার টেবিলকে আরও জোরালো ও কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কার্নির মতে, উভয় দেশের অর্থনীতি একে অপরের ওপর গভীরভাবে নির্ভরশীল, তাই একতরফা শুল্ক আরোপ কেবল কানাডার নয়, বরং মার্কিন ভোক্তাদের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত গভীর। দুই দেশই একে অপরের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। অটোমোবাইল শিল্প, শক্তি সম্পদ এবং কৃষি পণ্য—এই তিনটি খাতই এখন শুল্ক যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি হলো, কানাডার বাণিজ্যিক নীতি মার্কিন কর্মসংস্থান এবং উৎপাদন খাতের জন্য অসম। অন্যদিকে, ওটাওয়ার নীতিনির্ধারকরা বলছেন, এমন সিদ্ধান্ত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (যেমন ইউএসএমসিএ) মৌলিক চেতনার পরিপন্থী।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন যে, এই বাণিজ্যিক টানাপোড়েন দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে উত্তর আমেরিকার উৎপাদন ব্যবস্থা যা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল, তা বড় ধরনের ধাক্কা খাবে। মার্ক কার্নি যে ‘তীব্র আলোচনার’ কথা বলেছেন, তার মূল লক্ষ্য হলো শুল্ক কমানোর পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনকে বোঝানো যে, বাণিজ্য যুদ্ধে জয়ী হওয়া সম্ভব নয়।

বর্তমানে ওটাওয়া এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে এই আলোচনা কোন দিকে মোড় নেয়, তার ওপর নির্ভর করছে উত্তর আমেরিকার আগামী দিনের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ। তবে বর্তমান পরিস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বাণিজ্য কূটনীতিতে একটি নতুন এবং জটিল অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে, যেখানে সাধারণ ভোক্তারা মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটবে না বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।