ঢাকাTuesday , 21 July 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. খেলাধুলা
  3. জাতীয়
  4. তথ্য-প্রযুক্তি
  5. বানিজ্য
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. রাজনীতি
  9. লাইফস্টাইল
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রযুক্তির উৎকর্ষ ও সনাতন কারুশিল্পের মেলবন্ধন: নতুন প্রজন্মের কর্মদক্ষতা গড়ার নতুন চ্যালেঞ্জ

banglaprime24
July 21, 2026 11:46 am
Link Copied!

একবিংশ শতাব্দীর দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রে তরুণ কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টি এখন এক নতুন মোড় নিয়েছে। বর্তমানের করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে একদিকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন নিশ্চিত করছে, অন্যদিকে হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প বা দক্ষতাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। এই দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রযুক্তির এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং অটোমেশনের দাপট রয়েছে। কিন্তু শুধুমাত্র কারিগরি দক্ষতা দিয়ে দীর্ঘমেয়াদী কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকা কঠিন। বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন উপলব্ধি করছে যে, কর্মীদের মধ্যে সৃজনশীলতা, ধৈর্য এবং খুঁটিনাটি বিষয়ের প্রতি মনোযোগ—যা মূলত সনাতন কারুশিল্প থেকে আসে—সেগুলো থাকা একান্ত প্রয়োজন। এই দুই ধরনের দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের এমনভাবে গড়ে তুলছে, যাতে তারা জটিল প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান করার পাশাপাশি মানুষের সাথে সংবেদনশীল যোগাযোগ ও মৌলিক চিন্তাধারাতেও দক্ষ হয়ে ওঠে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক কর্মসংস্থান কেবল ল্যাপটপ আর সফটওয়্যারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে, যে কর্মীরা জটিল হাতে-কলমে কাজ বা কারুশিল্পের সাথে যুক্ত ছিলেন, তারা প্রযুক্তিগত কাজগুলোও অত্যন্ত নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে পারছেন। এই ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের প্রশিক্ষণ মডিউলে পরিবর্তন আনছে। এখন শিক্ষানবিসদের হাতে দেওয়া হচ্ছে কোডিংয়ের পাশাপাশি হাতে-কলমে কাজ করার প্রজেক্ট, যা তাদের ধৈর্য ও নির্ভুলতার চর্চায় সাহায্য করে।

তবে এই রূপান্তর সহজ নয়। কর্মীদের একটি অংশ প্রযুক্তিতে অত্যন্ত পারদর্শী হলেও তারা সৃজনশীলতার মৌলিক ভিত্তিগুলো থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। আবার অনেকে কারুশিল্পে দক্ষ হলেও আধুনিক ডিজিটাল টুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে থাকছে। এই দুই ধারার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির জন্য এখনকার প্রশিক্ষণ পদ্ধতিগুলো অনেক বেশি পরীক্ষামূলক এবং প্রায়োগিক। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখন ইন্ডাস্ট্রি ৪.০-এর সাথে প্রাচীন কলাকৌশলকে যুক্ত করার একটি নতুন কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে।

ভবিষ্যতের কর্মবাজার এমন কর্মীদের দাবি করছে, যারা একদিকে রোবটিক্স বা কোডিংয়ে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে এবং অন্যদিকে মানুষের মানসিকতা ও সূক্ষ্ম কারিগরি দক্ষতার মূল্যায়ন করতে জানবে। সব মিলিয়ে, প্রথাগত শিক্ষার বাইরে গিয়ে হাতে-কলমে শেখা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার শেখার এক সমন্বিত উদ্যোগই আগামী দিনের কর্মসংস্থানের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কোম্পানিগুলোর এই ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়াস দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।