ঢাকাMonday , 27 July 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. খেলাধুলা
  3. জাতীয়
  4. তথ্য-প্রযুক্তি
  5. বানিজ্য
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. রাজনীতি
  9. লাইফস্টাইল
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাইবান্ধায় ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট শাখায় বড় ধরনের জালিয়াতি, ৪৬ গ্রাহকের আমানত আত্মসাৎ

banglaprime24
July 27, 2026 9:38 pm
Link Copied!

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাটে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর এজেন্ট ব্যাংকিং শাখায় গ্রাহকদের জমাকৃত মোটা অংকের অর্থ আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাংকিং সেবা প্রদানে নিয়োজিত এই আউটলেটের বিরুদ্ধে ৪৬ জন গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠার পর এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ভুক্তভোগী আমানতকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের সঞ্চয় ও স্থায়ী আমানতের টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলনের সময় তারা জানতে পারেন যে তাদের জমাকৃত টাকা ব্যাংকের মূল হিসাবের সঙ্গে মিলছে না।

ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার, যখন রেশমা বেগম নামের এক গ্রাহক তার পাঁচ লাখ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট (এফডিআর) মেয়াদ শেষে উত্তোলন করতে যান। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাকে সাফ জানিয়ে দেয় যে, তার অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ জমা নেই। পরবর্তী তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, গ্রাহককে প্রদান করা জমা রসিদ ও এফডিআর চেকগুলো ছিল সম্পূর্ণ ভুয়া। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রোববার বিকেল থেকে শত শত গ্রাহক ব্যাংক কার্যালয়ের সামনে ভিড় জমান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গভীর রাতে ব্যাংক কর্মীদের উদ্ধার করে পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে নিয়ে যায়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই জালিয়াতির নেপথ্যে রয়েছে ওই শাখার ক্যাশিয়ার সবুজ মিয়া ও অফিস সহায়ক মাহবুল ইসলাম। শাখা পরিচালক ওয়ালিউর রহমানের ভাষ্যমতে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। তারা গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভুয়া স্লিপ ও স্ক্যান করা জাল এফডিআর চেক প্রদান করে আসছিলেন। কেবল এফডিআর নয়, অনেক সাধারণ সঞ্চয়ী হিসাবধারীর টাকাও আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। লাজু মণ্ডল নামের এক গ্রাহক জানান, তার সঞ্চয়ী হিসাবে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে সেখানে মাত্র এক হাজার টাকা অবশিষ্ট রয়েছে।

ঘটনার পর ইসলামী ব্যাংক রংপুর পীরগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক হাদিউল ইসলাম জানান, বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে এবং গ্রাহকদের আমানত সুরক্ষায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের উপপরিদর্শক মতিউল ইসলাম জানিয়েছেন, এক মাসের মধ্যে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে এবং অভিযুক্তদের অভিভাবকদের মুচলেকায় পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। তবে এই ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ আমানতকারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংকিং খাতের এমন অনিয়ম স্থানীয় পর্যায়ের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।