ঢাকাTuesday , 4 August 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. খেলাধুলা
  3. জাতীয়
  4. তথ্য-প্রযুক্তি
  5. বানিজ্য
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. রাজনীতি
  9. লাইফস্টাইল
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অস্ট্রেলিয়ার নতুন অভিবাসন নীতি: অফশোর আবেদনকারীদের জন্য ভিসা প্রসেসিংয়ে দীর্ঘ বিলম্বের আশঙ্কা

banglaprime24
August 4, 2026 10:46 am
Link Copied!

অস্ট্রেলিয়ার সার্বিক অভিবাসন কাঠামোয় একটি নতুন দিকনির্দেশনা যুক্ত করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ‘মিনিস্ট্রিয়াল ডিরেকশন ১১৯’ নামের এই নতুন সরকারি নির্দেশনার ফলে অস্ট্রেলিয়ার বাইরে অবস্থানরত হাজার হাজার ভিসা আবেদনকারীর স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্নে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। স্থানীয় রাজনীতিতে ক্রমাগত চাপ এবং আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিদেশি অভিবাসীদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশেষ করে যারা অস্ট্রেলিয়ার সীমানার বাইরে থেকে (অফশোর) আবেদন করছেন, তাদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ধাক্কা সামলাতে হতে পারে।

প্রকাশিত নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ক্যাটাগরিভিত্তিক ভিসা প্রসেসিংয়ের ক্ষেত্রে বিশাল অগ্রাধিকারের বৈষম্য তৈরি করা হয়েছে। এখন থেকে অগ্রাধিকার তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে থাকবেন অস্ট্রেলিয়ার অভ্যন্তরে অবস্থানরত (অনশোর) প্রার্থীরা। প্রক্রিয়াকরণের অগ্রাধিকার তালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং প্রতিরক্ষা খাতের সঙ্গে যুক্ত পেশাজীবীদের জন্য। এক্ষেত্রে প্রার্থীরা অস্ট্রেলিয়ার ভেতরে থাকলে প্রথম এবং বাইরে থাকলে দ্বিতীয় অগ্রাধিকার পাবেন। তৃতীয় স্তরে স্থান পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ভেতরে থাকা স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং নির্মাণ খাতের পেশাজীবীরা। চতুর্থ ধাপে রাখা হয়েছে অনশোরে অবস্থানরত অন্যান্য সমস্ত ভিসা আবেদনকারীকে। তালিকার একদম তলানিতে বা সর্বনিম্ন অগ্রাধিকারের তালিকায় ফেলা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বাইরে অবস্থানরত অন্য সব পেশাজীবীকে।

এই কাঠামোগত পরিবর্তনের কারণে পূর্বে বিদেশে অবস্থানরত ডাক্তার, নার্স, শিক্ষক ও কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীদের দ্রুত ভিসা প্রদানের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা কার্যত থমকে গিয়েছে। নতুন নিয়মে অনশোর প্রার্থীরা সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ায় অফশোর থেকে জমা হওয়া আবেদনগুলোর সুরাহা হতে দীর্ঘ বা অনিশ্চিত সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে, আঞ্চলিক নিয়োগকর্তা ও উদ্যোক্তারাও এতে উদ্বেগে পড়েছেন। কারণ বিদেশে থাকা তাদের পছন্দের মনোনীত কর্মীদের ভিসা পেতে এখন থেকে অতিরিক্ত সময় অপেক্ষা করতে হবে, যা তাদের ব্যবসা ও কর্মসংস্থানেও সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তবে এই সিদ্ধান্তের উল্টো পিঠে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিরাট নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে। যারা ইতিমধ্যেই শিক্ষার্থী হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন, তারা তাদের পড়াশোনা শেষ করে অভ্যন্তরীণভাবে কাজের সুযোগ বা দক্ষতা মূল্যায়ন সম্পন্ন করতে পারলে খুব দ্রুততম সময়ে স্থায়ী বসবাসের (পিআর) পথ সুগম করতে পারবেন। দেশটির বর্তমান নীতিমালার মূল বার্তা স্পষ্ট—স্থায়ী হতে চাইলে শুরুতেই যেকোনো বৈধ উপায়ে (যেমন ওয়ার্কিং হলিডে বা স্টুডেন্ট ভিসা) অস্ট্রেলিয়ায় এসে অভিজ্ঞতা অর্জন করা বেশি কার্যকর হবে। সংক্ষেপে, বর্তমানে আবেদনকারীর ভৌগোলিক অবস্থানই অস্ট্রেলিয়ার ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় নিয়ন্ত্রক শর্তে পরিণত হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।