ঢাকাTuesday , 21 July 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. খেলাধুলা
  3. জাতীয়
  4. তথ্য-প্রযুক্তি
  5. বানিজ্য
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. রাজনীতি
  9. লাইফস্টাইল
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার: প্রযুক্তি বিনিময় ও জাহাজ নির্মাণে বিশেষ গুরুত্ব

banglaprime24
July 21, 2026 1:56 pm
Link Copied!

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ও কৌশলগত সম্পর্ককে আরও সুসংহত করতে এবং প্রতিরক্ষা খাতের অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে উভয় দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছে।

**প্রতিরক্ষা সহযোগিতা প্রসারে নতুন রূপরেখা:**
বৈঠকে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে স্মরণ করে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দক্ষিণ কোরিয়া কীভাবে সহযোগিতা করতে পারে, সে বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। উভয় পক্ষই আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তি বিনিময় এবং যৌথ সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন।

**প্রযুক্তি হস্তান্তর ও নৌ-জাহাজ নির্মাণে যৌথ উদ্যোগ:**
দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বজুড়ে উন্নত প্রযুক্তি এবং আধুনিক নৌ-জাহাজ নির্মাণ (শিপবিল্ডিং) শিল্পের জন্য বিশেষভাবে সুপরিচিত। বৈঠকে বাংলাদেশের নৌবাহিনীর আধুনিকায়নে দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজ নির্মাণ খাতের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ, অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির আদান-প্রদান এবং যৌথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। এছাড়া উচ্চতর সামরিক শিক্ষার ক্ষেত্রে দুই দেশের সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক সফর ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষই ইতিবাচক সম্মতি প্রকাশ করেছে।

**ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব:**
বর্তমান বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা। বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত গুরুত্ব এবং ব্লু-ইকোনমি রক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো একটি উন্নত দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী। এটি কেবল সামরিক খাতেই নয়, সামগ্রিক জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষাতেও দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান কূটনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করার প্রয়াসে এই অংশীদারিত্বকে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

**ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও আশাবাদ:**
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই গভীর আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যৌথ উদ্যোগ ও সহযোগিতামূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে আগামী দিনে ঢাকা ও সিউলের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। প্রতিরক্ষা খাতের এই নতুন রূপরেখা দুই দেশের অংশীদারিত্বকে আরও টেকসই ও গতিশীল করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।