ঢাকাTuesday , 21 July 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. খেলাধুলা
  3. জাতীয়
  4. তথ্য-প্রযুক্তি
  5. বানিজ্য
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. রাজনীতি
  9. লাইফস্টাইল
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল বিপ্লবের নেপথ্য কারিগর ডেভিড বেকহাম: বিশ্বকাপের মাঠজুড়ে কেন এই আধিপত্য?

banglaprime24
July 21, 2026 2:03 am
Link Copied!

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে মাঠের পারফরম্যান্সে কিলিয়ান এমবাপ্পে কিংবা জুড বেলিংহামের মতো তরুণ তুর্কিরা দ্যুতি ছড়ালেও, পর্দার আড়ালে পুরো আসর জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ফুটবলার ডেভিড বেকহাম। বিশ্বকাপের প্রতিটি ভেন্যুতে, স্পনসরদের বিজ্ঞাপনে কিংবা গ্যালারির ভিআইপি বক্সে তাঁর সরব উপস্থিতি দর্শকদের দৃষ্টি কেড়েছে। তবে বেকহামের এই ব্যাপক সম্পৃক্ততা কেবল তারকাখ্যাতির বিলাসিতা নয়, বরং দীর্ঘ দুই দশকের এক সুপরিকল্পিত ফুটবলীয় দর্শনের ফসল।

এই সাফল্যের প্রেক্ষাপট রচিত হয়েছিল ২০০৭ সালে। সেই সময় রিয়াল মাদ্রিদের মতো ইউরোপীয় পরাশক্তি ছেড়ে বেকহাম যখন এলএ গ্যালাক্সিতে যোগ দেন, তখন মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ছিল বিশ্ব ফুটবলে একটি অপরিচিত নাম। বেকহামের সেই সাহসী পদক্ষেপ আমেরিকান ফুটবলে এক নতুন জোয়ার সৃষ্টি করে। মূলত তাঁর জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করেই ফুটবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি মূলধারার সংস্কৃতিতে পরিণত হওয়ার সুযোগ পায়। বেকহামের আগমনের পর এমএলএস শুধুমাত্র খেলার মানই বাড়ায়নি, বরং একটি বাণিজ্যিক ব্র্যান্ড হিসেবেও বিশ্ববাজারে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে।

পরবর্তীতে ২০১৯ সালে ইন্টার মায়ামির মালিকানায় যুক্ত হয়ে বেকহাম নিজেকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং প্রভাব খাটিয়ে ২০২৩ সালে লিওনেল মেসিকে মায়ামিতে নিয়ে আসা ছিল আমেরিকান ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মোড়। মেসির মতো বিশ্বসেরা খেলোয়াড়কে পাওয়ার পর এমএলএস-এর দর্শকসংখ্যা এবং সাবস্ক্রিপশন রেকর্ড ভেঙে ফেলে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বেকহামের এই ব্যবসায়িক বিচক্ষণতা এবং মাঠের বাইরের উপস্থিতি না থাকলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই বিশ্বকাপের আয়োজন করা কিংবা দর্শকদের এমন সরব অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা কঠিন হতো।

অনেকের কাছেই আজ ফুটবল আর ডেভিড বেকহাম সমার্থক। একজন খেলোয়াড় হিসেবে মার্কিন মুলুকে এসে তিনি ধীরে ধীরে একটি ফুটবলের ‘কালচারাল আইকন’ বা সাংস্কৃতিক প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের যে সুপ্ত দশা ছিল, বেকহাম সেটি বদলে দিয়েছেন একাই। তাই এবারের বিশ্বকাপে তাঁর প্রতিটি পদচারণা ছিল ফুটবলের প্রসারে তাঁর অবদানেরই স্বীকৃতি। এমএলএস-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ড্যান কোর্টমানশ-এর মতে, বেকহাম দুইবার আমেরিকান ফুটবলের ভাগ্য বদলে দিয়েছেন—একবার খেলোয়াড় হিসেবে, দ্বিতীয়বার বিনিয়োগকারী ও সংগঠক হিসেবে। আর এই দুই দশকের নিরলস প্রচেষ্টার কারণেই আজকের বিশ্বমঞ্চে বেকহামের উপস্থিতি ছিল এত স্বাভাবিক এবং অনিবার্য।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।