ঢাকাFriday , 24 July 2026
  1. আন্তর্জাতিক
  2. খেলাধুলা
  3. জাতীয়
  4. তথ্য-প্রযুক্তি
  5. বানিজ্য
  6. বিনোদন
  7. বিশ্ব
  8. রাজনীতি
  9. লাইফস্টাইল
  10. শিক্ষা
  11. সর্বশেষ
  12. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মেসি ও স্কালোনিকে আর্জেন্টিনার দায়িত্বে থাকার আকুল আহ্বান দি মারিয়ার

banglaprime24
July 24, 2026 10:33 pm
Link Copied!

২০২৬ বিশ্বকাপের কাঙ্ক্ষিত শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে না পারলেও আর্জেন্টিনা দলের লড়াকু পারফরম্যান্সে গভীর গর্ব প্রকাশ করেছেন সাবেক আলবিসেলেস্তে তারকা আনহেল দি মারিয়া। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপ পরবর্তী সময়ে জাতীয় দলের দুই প্রধান স্তম্ভ—অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনিকে আলবিসেলেস্তেদের দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী এই লেফট উইঙ্গার। নিজ দেশের ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালের হয়ে চলতি মৌসুমের প্রথম ম্যাচ শেষ করার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি আর্জেন্টিনা দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।

স্পোর্টস নেটওয়ার্ক ‘টিএনটি স্পোর্টস’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে লিওনেল মেসির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে দি মারিয়া অত্যন্ত স্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি মনে করেন, ৩৯ বছর বয়সে পৌঁছেও মেসি মাঠে যে অসামান্য নৈপুণ্য ও নেতৃত্ব প্রদর্শন করে চলেছেন, তা প্রমাণ করে যে ফুটবল ইতিহাসে তিনিই সর্বকালের সেরা। দি মারিয়া বলেন, “লিওর আরও অনেক বছর আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলে যাওয়া উচিত। যতক্ষণ পর্যন্ত সে নিজে শারীরিকভাবে ও মানসিকভাবে খেলা উপভোগ করবে, ততক্ষণ তার খেলা থামানো উচিত নয়। ৩৯ বছর বয়সে এসেও সে বিশ্বমঞ্চে দেখিয়ে দিয়েছে তার ক্ষমতা সীমাহীন এবং সে-ই বিশ্বের সর্বকালের সেরা ফুটবলার।”

অধিনায়ক মেসির পাশাপাশি প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনির অবস্থান নিয়েও নিজের স্পষ্ট আকাক্সক্ষার কথা তুলে ধরেন দি মারিয়া। ২০১৮ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর স্কালোনি আর্জেন্টিনাকে বিশ্ব ফুটবলের চূড়ায় নিয়ে গেছেন এবং নতুন খেলোয়াড় তুলে এনে দলের ভেতর বড় পরিবর্তন এনেছেন। দি মারিয়া জানান, একজন সাধারণ আর্জেন্টাইন সমর্থক হিসেবেও তিনি চান স্কালোনি যেন জাতীয় দলের কোচের দায়িত্বে বহাল থাকেন। তিনি বলেন, “একজন আর্জেন্টাইন হিসেবে আমি মনে-প্রাণে চাই স্কালোনি দলের দায়িত্ব চালিয়ে যাক। এটি আর্জেন্টিনা ফুটবলের সামগ্রিক ভবিষ্যৎ ও তরুণ খেলোয়াড়দের বিকাশের জন্য অত্যন্ত কল্যাণকর হবে। সে জাতীয় দলে এক দারুণ নতুন প্রজন্মের ফুটবলার তৈরি করেছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অবশ্যই তার নিজস্ব, তবে জাতীয় দলের মতো আবেগের জায়গা ছেড়ে যাওয়া সবসময়ই কঠিন।”

বিশ্বকাপের খেতাব হাতছাড়া হওয়ার বিষয়ে আফসোসের কথা স্বীকার করলেও দলের প্রতি সম্মান জানাতে ভুল করেননি এই অভিজ্ঞ উইঙ্গার। ফুটবলের অনিশ্চয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সব ফাইনাল জেতা সম্ভব হয় না। কখনও জয় আসবে, আবার কখনও ব্যর্থ হতে হবে। এবার হয়তো আমরা ট্রফি জিততে পারিনি, কিন্তু এই দলটি যেভাবে প্রতিটি ম্যাচে লড়াই করেছে, তাতে তারা গোটা আর্জেন্টিনা জাতিকে নতুন করে গর্বিত করেছে। মাঠে তাদের আত্মত্যাগ কেবল করতালি নয়, বরং তার চেয়েও বেশি সম্মান পাওয়ার দাবি রাখে।”

জাতীয় দল থেকে অবসর নেওয়ার পর দি মারিয়া জানান, গ্যালারি বা টিভি পর্দায় বসে দলের খেলা দেখা তার জন্য সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা ছিল। প্রতিটি ম্যাচে তীব্র উৎকণ্ঠা ও আবেগের মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রতিটি ম্যাচে আমি যেমন কষ্ট পেয়েছি, তেমনই ওদের পারফরম্যান্স দেখে গর্ব অনুভব করেছি। দলের সবাইকে অশেষ ধন্যবাদ।” রোজারিও সেন্ট্রালের হয়ে ঘরের মাঠে খেলা চালিয়ে যাওয়া দি মারিয়ার এই আহ্বান মূলত বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি আলবিসেলেস্তে ভক্তেরই মনের কথা প্রতিফলিত করেছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।